I Am MD Roknuzzaman Khandoker

I Am MD Roknuzzaman Khandoker
I am a Digital Marketer & CSE Graduate dedicated to helping brands grow through data-driven strategies and creative storytelling. From technical IT auditing to hands-on digital branding, I specialize in turning complex ideas into market-ready identities.
Showing posts with label NEWS. Show all posts
Showing posts with label NEWS. Show all posts

কোভিট-১৯

কোভিট-১৯

যেসব মধ্যবিত্ত পরিবার এই কোভিডকে গায়ে মাখতেছেন না , স্বাস্হ্যবিধি না মেনে হুদাই নাচতেছেন , ভিড় এবং জনসমাগমে দাঁত কেলায়া সেলফি তুলতেছেন , ক্যাপশানে লিখতেছে - " ফিলিং নাইস " আমি হলফ করেই বলতে পারি তাদের পরিবারের ১ জন রোগীও যদি কোভিড আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে যায় - পুরো পরিবার জাস্ট ২ সপ্তাহেই পথে বসে যাবে । কোভিড রোগীকে প্রাইভেট আইসিইউতে রেখে ১০-১৫ দিন ট্রিটমেন্ট চালানোর মতো সামর্থ্য ৯০% পরিবারের নেই ।

যারা বছরের পর বছর ধরে ডিপিএস করেছেন একটু ভালো ভবিষ্যতের আশায় - ম্যাচিউর হবার আগেই রক্ত পানি করে তিলে তিলে গড়া ডিপিএসগুলাও ভেঙ্গে ফেলতে হবে ,
আইসিইউ বেড ক্রাইসিস এখন চরমে।
দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবারকে অর্থনৈতিক , মানসিকভাবে পিষে ফেলা রোগের নাম কোভিড ।
বিত্তশালীরা হয়তো টাকার বিনিময়ে ভয়াবহ এই কোভিডের সাথে অসম যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন , তথাপি সেটা হবে চরম মানসিক এবং শারিরীক কষ্টের বিনিময়ে , কিন্তু দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণী টিকতে পারবেনা , প্রায় অসম্ভব ।
আমি বাস্তবতা বললাম , আল্লাহ সবাইকে রহম করুন ।

#Collected from Shamsul Osthir

কুড়িগ্রামে রাষ্ট্রীয় মযার্দায় সমাহিত করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের কোম্পানী কমান্ডার আকরাম হোসেনকে

কুড়িগ্রামে রাষ্ট্রীয় মযার্দায় সমাহিত করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের কোম্পানী কমান্ডার আকরাম হোসেনকে

রাষ্ট্রীয় মযার্দায় সমাহিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এম আকরাম হোসেন। কুড়িগ্রামবাসী হারালো জেলার একজন বীর সৈনিক। তিনি কিডনি জনিত রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরন করেন । মৃত্যুকাল তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কুড়িগ্রাম সদরের গড়েরপাড় বাজার ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এরআগে ওইদিন বিকেলে তাকে রাষ্ট্রীয় মযার্দা প্রদান করা হয়। ওইদিন রাতে কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র,তিন কন্যা ও এক স্ত্রী সহ অসংখ্য বন্ধু,বান্ধব,গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা কেএম আকরাম হোসেন ১৯৭১ইং সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কুড়িগ্রাম কোম্পানী কমান্ডারের দায়িত্ব থেকে কৃতিত্বের স্মাক্ষর রেখেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ কালীন সময় আগষ্ট মাসে দূগার্পুরের অর্জুনের ডোরায় রেল ব্রীজে মাইন পুতে পাক সৈন্যবাহীনির ট্রেন উড়িয়ে দেয়া, কুলাঘাট-ফুলবাড়ি নদী পথে নৌকায় পাক বাহিনীর ফুলবাড়ি অভিমুখে যাত্রার সময় তার নেতৃত্বে বন্ধুক যুদ্ধে ৩২জন পাক সৈন্য নিহত হওয়া,বোমা মেরে রতনাই ব্রীজ উড়িয়ে দেয়া সহ অসংখ্য অপারেশনে তিনি নেতৃত দিয়েছিলেন। কুড়িগ্রাম জেলার দু’জন কোম্পানী কমান্ডারের মধ্যে একজন ছিলেন কেএম আকরাম হোসেন। কুড়িগ্রামে মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি অবদান রেখেছেন। তিনি যুদ্ধ চলাকালীন রাজারহাট,উলিপুর,কুড়িগ্রাম সদর,ফুলবাড়ি,লালমনির হাট কুলাঘাট সহ বিভিন্নস্থানে বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। কেএম আকরাম হোসেন কুড়িগ্রাম জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডিপুটি কমান্ডারও ছিলেন।
তার মৃত্যুতে জানাজা পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন,কুড়িগ্রাম বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি হারুন-অর-রশিদ লাল, সাবেক কুড়িগ্রাম সদর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল বাতেন,মুক্তিযাদ্ধা কেএম মাহফুজার প্রমূখ।
প্রতিবেদকঃ সাইফুর রহমান শামীম




 ধানখুনিয়া, ৮ নং নাকাই ইউপি, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা করতোয়া নদীর প্রশাখা নয়া নদীর ব্রীজ হতে প্রায় ৩০০ গজ উত্তরে নদীর মাঝে থেকে মাটি কাটার সময়ে প্রায় শতবর্ষ পূর্বের একগাছা একটি শাল কাঠের নৌকার অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়। এখন পর্যন্ত নৌকা থেকে একটি পিতলের কলসি পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর অবস্থা সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টির সত্যিকর অবস্থা খুজে বের করতে এলাকা তদন্ত করেছে এবং উক্ত নৌকার অবস্থানরত স্থানে মাটি কাটা ও নৌকার কোন খন্ড অংশ না নেওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউপি সদস্য মাধ্যমে।


গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মসজিদে জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করায় পুরষ্কার স্বরুপ ৯ জন নামাজীকে বাইসাইকেল উপহার।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মসজিদে জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করায় পুরষ্কার স্বরুপ ৯ জন নামাজীকে বাইসাইকেল উপহার।

ব্যতিক্রমি উদ্যোগ মানুষকে যেভাবে করে আলোচিত ও আলোকিত, ঠিক তেমনি সমাজ সংস্কার বা কোন ভাল উদ্যোগ মানুষকে করে রাখে স্মরনীয়৷
এমনই একজন উদ্যোক্তা সামান্য বেতনে জীবন জীবিকা নির্বাহকারী প্রত্যন্ত পল্লীর একটি মসজীদের পেশ ইমাম মাওঃ সোহরাব আলী। তিনি রংপুর সদর উপজেলার পালিচরা গ্রামের বাসিন্দা ৷
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, কোন বিবাহিত পুরুষ যদি একটানা চল্লিশ দিন জামায়াতের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন, তাদের ১০,০০০ টা পুরস্কার (অনুপ্রেরণা যোগানোর জন্য) এবং কোন অবিবাহিত পুরুষ যদি একটানা ৪০ দিন জামায়াতের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন তাদের একটা বাই সাইকেল পুরস্কার দেওয়ার হবে (অনুপ্রেরণা যোগানোর জন্য)। যদিও কোন বিবাহিত পুরুষ এই অনুপ্রেরণা মূলক পুরস্কার বিজয়ী হতে পারেনি তবে অবিবাহিত ৯ জন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মসজিদে নিয়মিত জামায়াতের সহিত ৪০ দিন নামাজ আদায় করার জন্য অত্র মসজিদের মুসুল্লিদের মাঝে বাই সাইকেল প্রদান করে আলোড়ন সৃষ্টি করলেন।
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউপি'র বুজরুক বিষ্ণপুর গ্রামের পূর্বপাড়া জামে মসজিদ এর ইমাম একটি ব্যতিক্রমি উদ্যোগ গ্রহন করেছে ৷ যা অবশ্যই একটি আলোচিত ও দৃষ্টান্ত হিসেবে অত্র এলাকার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে ৷ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ৪০ দিন জামায়াতের সাথে পড়লে উপহার পাবেন একটি বাইসাইকেল ৷ এমন একটি চমকপ্রদ ঘোষনা দিয়ে অত্র এলাকাবাসীকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি ৷ অবশ্য ইমাম সাহেবেরও ধারনা ছিল হয়ত সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ জন শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগীতায় টিকে থাকবে কিন্তুু সবাইকে অবাক করে দিয়ে ৪০ জনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ৯ জন নামাজী প্রতিযোগীতায় টিকে যান ৷ কি আর করনীয়? অবশেষে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইমামকে ৯ টি বাইসাইকেলই উপহার দেন প্রতিযোগীদের ৷
এ পেশ ইমামের সাথে কথা বললে তিনি জানান রাষ্ট্র বা সমাজ বিরোধী ও উষ্কানীমুলক কর্মকান্ড থেকে নিজেকে এবং সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদেরকে সঠিক পথে নিয়োজিত রাখার নিমিত্তে এ মহতি উদ্যোগ গ্রহন করেন তিনি ৷ মসজিদ হতে প্রাপ্ত বেতন ভাতার অধিকাংশ অর্থ তিনি এভাবে ব্যয় করেন এছাড়াও নেপথ্যে রয়েছে আরো কিছু কারন ৷ তিনি জানান আমার স্ত্রী একজন চাকুরিজীবী ৷ আল্লাহর অশেষ রহমতে দুজনের রোজগারে খুব ভালভাবেই জীবন কেটে যায় ৷ আল্লাহর পথে মানুষকে সঠিক ও সরল পথ দেখানোর জন্য তিনি এলাকার কিশোর ও যুবকদেরকে ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলার মাঝে নিয়োজিত রাখেন ৷
মসজিদ কমিটির সভাপতি শাহারুল ইসলাম মনা বলেন, সরকারের দায়িত্বশীল পদে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের প্রতি অনুরোধ এমন সুন্দর চরিত্রের ইমামদের কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে তাদেরকে উৎসাহী করার ব্যবস্থা গ্রহন করা যায় কিনা? এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ ৷ স্বীকৃতি না পেলে একসময় উদ্যোগীরাও উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে ৷ এ রকম ব্যতিক্রমি উদ্যোক্তা ইমামদের জন্য কোন প্রণোদনার ব্যবস্থা গ্রহন করার ব্যবস্থা করতে পারলে প্রত্যেক মসজিদে এমন সুন্দর পরিবেশ ফিরে আসবে বলে এলাকাবাসী মনে করেন ৷ এভাবেই পর্যায়ক্রমে সমাজ ও রাষ্ট্র উভয়ই শান্তি ও সুশৃংখলা থাকবে ৷ সমাজ তথা দেশ জুড়ে পরিবর্তন হবে মানবিকতা ও সহানুভুতিশীলতা । এমন সুন্দর একটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন হওয়ায় পেশ ইমাম কে শুভেচ্ছা ও
অভিনন্দন
জানিয়েছেন উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক পেশাজীবী সংগঠন গুলো।
মহান আল্লাহ ইমাম সাহেবসহ, সকল মুসল্লী, গ্রামবাসী তথা সমগ্র মুসলিম উম্মাহ কে কবুল করুন।

#collected